
যাঁরা বিজ্ঞান নিয়ে খুব আগ্রহী, তাঁদের কাছে আতশি কাচ বা ম্যাগনিফাইং গ্লাস খুবই আকর্ষণীয় এক বস্তু। খবরের কাগজ পড়তে গিয়ে অক্ষর খুব ছোট মনে হলে বা ঘড়ি সারাইয়ের কারিগর সূক্ষ্ম যন্ত্রাংশ দেখতে আতশি কাচ ব্যবহার করেন। আপাতদৃষ্টে সাধারণ মনে হলেও, এই বিশেষ যন্ত্রের আবিষ্কার মানবসভ্যতার জ্ঞান-বিজ্ঞানের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।
আতশি কাচের ধারণা কিন্তু আধুনিক নয়। আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগে প্রাচীন মিসরে কাচের মতো স্বচ্ছ স্ফটিক দিয়ে তৈরি লেন্সের ব্যবহার ছিল। তবে তা আজকের মতো উন্নত ছিল না। ঐতিহাসিকেরা মনে করেন, রোমান সম্রাট নিরো গ্ল্যাডিয়েটরদের লড়াই দেখার জন্য একধরনের স্বচ্ছ পান্না ব্যবহার করতেন, যা অনেকটা লেন্সের কাজ করত। ১২০০ সালের দিকে ইউরোপে একধরনের রিডিং স্টোন বা পাথর জনপ্রিয় হয়। এটি ছিল মূলত মাঝখানে মোটা ও দুই পাশে সরু একখণ্ড স্বচ্ছ পাথর। বইয়ের অক্ষরের ওপর ধরলে বিভিন্ন লেখাকে বড় দেখাত। এটিই ছিল আজকের আতশি কাচের আদি রূপ।
আতশি কাচকে বিজ্ঞানের তকমা দেন ইংরেজ বিজ্ঞানী ও দার্শনিক রজার বেকন। ১২৫০ সালে তিনি প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যাখ্যা করেন, কাচকে নির্দিষ্ট আকারে কাটলে তা আলোর প্রতিফলন ঘটিয়ে বস্তুকে বড় করে দেখাতে পারে। তাঁর এই উদ্ভাবন মূলত দৃষ্টিশক্তি দুর্বল মানুষের জন্য এক আশীর্বাদ হয়ে আসে।
১০২১ সালে ইবনে আল-হায়সাম বুক অব অপটিকসের একটি বিবর্ধিত চিত্র তৈরির জন্য ব্যবহৃত একটি উত্তল লেন্সের বর্ণনা দিয়েছিলেন। দ্বাদশ শতাব্দীতে এই বই লাতিন ভাষার অনুবাদ করা হয়। বিভিন্ন ইতিহাসের গ্রন্থ বলছে, রজার বেকন প্রথম ১২৬৮ সালে আতশি কাচ তৈরি করেছিলেন। এ জন্য তিনি ব্রিটেনের প্রথম বিজ্ঞানী হিসেবে তকমা পেয়েছেন। আবর বিজ্ঞানীদের গবেষণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি বেকনের আতশি কাচ। এর পর থেকেই ইতালিতে প্রথম চশমা তৈরির কাজ শুরু হয়। ১৬০০ সালের দিকে ওলন্দাজ চশমা বিক্রেতারা একাধিক লেন্স একসঙ্গে ব্যবহার করতে শুরু করেন। সেই সময় জন্ম নেয় টেলিস্কোপ ও মাইক্রোস্কোপ।
সূত্র:ব্রিটানিকা

গুগলের জিমেইলে যুক্ত হয়েছে নতুন ‘হেল্প মি রাইট’ ফিচার। এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)–সুবিধা ব্যবহার করে ই–মেইল আরও সহজভাবে ও দ্রুত লেখা যায়। একটি সংক্ষিপ্ত প্রম্পট দিলেই সুবিধাটি ই–মেইলের খসড়া তৈরি করতে পারে। আবার ব্যবহারকারী যদি ই–মেইল লিখে থাকেন, তবে এটি সেই ই–মেইলের ভুল সংশোধন, ভাষা ঠিক করা বা লেখার দৈর্ঘ্য পরিবর্তন করতেও সাহায্য করে। তবে সুবিধাটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত লেখার ধরন পরিবর্তন করে না।
হেল্প মি রাইট হলো গুগলের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত টুল, যা প্রথমবার গুগল আই/ও ২০২৩–এ দেখানো হয়। এটি বর্তমানে ওয়েব, অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস সংস্করণের জিমেইলে ব্যবহার করা যাচ্ছে। সুবিধাটি গুগলের জেনারেটিভ এআই প্ল্যাটফর্ম জেমিনাই ব্যবহার করে। সুবিধাটি নতুন ই–মেইল লিখে দেওয়ার পাশাপাশি আগে লেখা খসড়া ই–মেইলকে আরও প্রাঞ্জল, সংক্ষিপ্ত বা পেশাদার করতে সাহায্য করে। ব্যবহারকারী চাইলে ই–মেইলের ভঙ্গি, দৈর্ঘ্য ও ভাষা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
সুবিধাটি বর্তমানে গুগল ওয়ার্কস্পেস ল্যাবসের পরীক্ষামূলক ব্যবহারকারী ও নির্দিষ্ট ওয়ার্কস্পেস বা জেমিনাই প্ল্যানের গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত। প্রথমে নিশ্চিত করতে হবে, জিমেইলের অ্যাপ বা ওয়েব সংস্করণ হালনাগাদ আছে কি না। যোগ্য ব্যবহারকারীরা ই–মেইল লেখা শুরু করার সময় ‘হেল্প মি রাইট’ বাটন দেখতে পাবেন। নতুন ই–মেইল তৈরি করতে ব্যবহারকারী প্রথমে কম্পোজ ক্লিক করবেন এবং হেল্প মি রাইট নির্বাচন করবেন। এরপর একটি সংক্ষিপ্ত নির্দেশনা বা প্রম্পট দিয়ে ই–মেইলের খসড়া তৈরি করা যাবে। আগের লেখা খসড়া পরিমার্জন করতে ব্যবহারকারী ই–মেইল বক্সে খসড়া লেখা পেস্ট বা টাইপ করতে পারেন। এরপর হেল্প মি রাইট থেকে রিফাইন অপশন নির্বাচন করে লেখা আরও প্রাঞ্জল বা পেশাদার করা যাবে। ব্যবহারকারী চাইলে লেখা সংক্ষিপ্ত, বিস্তারিত বা ভঙ্গি পরিবর্তন করতে পারেন। এ ছাড়া লেখার ধারাও বদলানো সম্ভব। খসড়া পছন্দ না হলে ব্যবহারকারী আবার খসড়া তৈরি করতে পারবেন। এআই খসড়া তৈরি করার পর ব্যবহারকারী চাইলে নিজেই সম্পাদনা করতে পারবেন। চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণ সব সময় ব্যবহারকারীর হাতে থাকবে।
সূত্র:টাইমস অব ইন্ডিয়া

শহরের বিষাক্ত বাতাস কেবল ধোঁয়া বা ধূলিকণা নয়; বরং ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিকে পূর্ণ হয়ে উঠেছে। চীনের শিয়ান শহরে পরিচালিত এক গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া গেছে। গত কয়েক বছরে ওই শহরের বাতাসে মাইক্রোপ্লাস্টিকের মাত্রা তিন গুণ বেড়েছে। গবেষকেরা বলছেন, বাতাসে ভাসমান পিএম–২.৫ কণা ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে সক্ষম। বাতাসের মধ্যে এই প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি পরিমাপ করেছেন। বিশেষ করে কোভিড–১৯ মহামারির আগের ও পরের নমুনা তুলনা করে এই ভয়াবহ চিত্র পাওয়া গেছে।
চীনের শিয়ান জিয়াওটং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ফোবাং লিউয়ের নেতৃত্বে এই গবেষণা পরিচালিত হয়। তাঁর দল গ্রীষ্ম ও শীতকালে সংগৃহীত এয়ার ফিল্টার বিশ্লেষণ করে দেখে, মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাস বাতাসের প্লাস্টিক–দূষণকে প্রভাবিত করছে। কোভিড–১৯ মহামারির সময় নানা ধরনের মাস্ক ব্যবহার করা হয়।
গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যবহৃত মাস্কগুলো যখন রাস্তাঘাটে বা ময়লার ভাগাড়ে পড়ে থাকে, তখন ঘর্ষণ ও আবহাওয়াগত কারণে সেখান থেকে স্বচ্ছ পলিপ্রোপিলিন তন্তু নির্গত হয়। শুধু মাস্ক এই তন্তুর একমাত্র উৎস নয়। সিনথেটিক কাপড়, গাড়ির টায়ার ও প্লাস্টিক প্যাকেজিং থেকেও সূক্ষ্ম তন্তু বাতাসে মিশে যায়। গবেষকেরা ফিল্টারে পলিথিন টেরেফথালেট নামক একধরনের পলিয়েস্টার খুঁজে পেয়েছেন, যা সাধারণত পানীয়ের বোতল ও পোশাকে ব্যবহৃত হয়। ২০২০ সালের আগের নমুনায় বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিকের মিশ্রণ থাকলেও মহামারির পরে সাদা ও স্বচ্ছ তন্তুর প্রাধান্য দেখা গেছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, কড়া সূর্যালোক ও ওজোন গ্যাসের উপস্থিতিতে প্লাস্টিক বর্জ্য দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ওজোন প্লাস্টিকের উপরিভাগে ফাটল তৈরি করে বলে সেখান থেকে অতিক্ষুদ্র তন্তু সহজেই বিচ্ছিন্ন হয়ে বাতাসে মিশে যেতে পারে। বাতাস, মানুষের পায়ের ঘর্ষণ কিংবা গাড়ির চাকা এই বর্জ্যকে পিষে আরও ছোট কণায় পরিণত করে। এসব কণা শুষ্ক আবহাওয়ায় ওপরে উঠে যায় এবং বাতাসের সঙ্গে বহুদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। আমরা প্রতিবার নিশ্বাস নেওয়ার সময় এই প্লাস্টিক তন্তুগুলো আমাদের শরীরে প্রবেশ করছে।
গবেষকেরা পার্টিকেল ডসিমেট্রি বা গাণিতিক মডেল ব্যবহার করে দেখেছেন, এই কণাগুলো শরীরের ঠিক কোথায় জমা হয়। প্রাথমিক প্রবেশপথ হিসেবে নাক ও গলায় অনেক কণা আটকে যায়। অনেক সূক্ষ্ম তন্তু শ্বাসনালি পার হয়ে ফুসফুসের গভীরে পৌঁছাতে সক্ষম। বড়দের তুলনায় শিশুদের শরীরের ওজনের অনুপাতে শ্বাস নেওয়ার হার বেশি। নিশ্বাসের সঙ্গে নেওয়া মাইক্রোপ্লাস্টিক শ্বাসনালিতে জ্বালাপোড়া ও প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি স্টেটের মেমফিস শহরে গত বছরের মে মাসের এক বিকেলে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন একটি ডেটা সেন্টারের দিকে থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা তাক করেন পরিবেশকর্মী শ্যারন উইলসন। ক্যামেরার পর্দায় ধরা পড়ে এমন এক চিত্র, যা খালি চোখে দেখা যায় না। ক্যামেরার পর্দায় দেখা যায়, দূষণ নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই গ্যাসচালিত টারবাইন থেকে বিপুল পরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হচ্ছে। এসব টারবাইন চালাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান এক্সএআইয়ের সুপারকম্পিউটার ‘কলসাস’।
টেক্সাসের তেল ও গ্যাসশিল্পে কাজ করা সাবেক কর্মী উইলসন গত এক দশকের বেশি সময় ধরে মিথেন গ্যাস নিঃসরণের তথ্য পর্যবেক্ষণ করছেন। তাঁর হিসাবে, কলসাস ডেটা সেন্টার থেকে নির্গত গ্রহ উষ্ণকারী গ্যাসের পরিমাণ একটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিঃসরণের কাছাকাছি। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার চেয়ে বেশি হতে পারে। উইলসন বলছেন, ‘দূষণের মাত্রা ছিল অবিশ্বাস্য।’ জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও গবেষকেরাও আশঙ্কা করছেন, ডেটা সেন্টারের লাগামহীন সম্প্রসারণ জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বৈশ্বিক উষ্ণতা দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার লক্ষ্য বাস্তবায়নে এই বিদ্যুতের চাহিদা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার সাবেক গবেষক ও আয়ারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজ কর্কের অধ্যাপক হান্না ডালি জানিয়েছেন, একসময় কম্পিউটিং খাতের কার্বন নিঃসরণ খুব একটা আলোচনায় আসত না। তখন পরিবহন, গবাদিপশু কিংবা গৃহস্থালি জ্বালানি ব্যবহারই ছিল মূল উদ্বেগের জায়গা। তবে আয়ারল্যান্ডে ডেটা সেন্টারের দ্রুত বিস্তার সেই চিত্র পাল্টে দিয়েছে।
বর্তমানে দেশটির মোট বিদ্যুতের প্রায় এক–পঞ্চমাংশ খরচ হচ্ছে ডেটা সেন্টারে। কয়েক বছরের মধ্যেই এই হার এক–তৃতীয়াংশে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। বিদ্যুৎ গ্রিডের সক্ষমতার তুলনায় দ্রুতগতিতে ডেটা সেন্টার গড়ে ওঠায় ২০২১ সালে নতুন গ্রিড সংযোগ কার্যত স্থগিত করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। ডালির মতে, এই দ্রুতগতির বৃদ্ধিই সবচেয়ে উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, ‘আয়ারল্যান্ড হয়তো ব্যতিক্রম নয়। এটি ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোর জন্য একটি সতর্কসংকেত হতে পারে।’
বিশ্বব্যাপী বর্তমানে ডেটা সেন্টার মোট বিদ্যুতের প্রায় ১ শতাংশ ব্যবহার করলেও এই হার দ্রুত বাড়ছে। ব্লুমবার্গ নিউ এনার্জি ফাইন্যান্সের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ ব্যবহার বেড়ে ৮ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার হিসাব বলছে, উন্নত দেশগুলোয় দশকের শেষ নাগাদ বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির অন্তত ২০ শতাংশের জন্য দায়ী হবে ডেটা সেন্টার। কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান নবায়নযোগ্য জ্বালানির মাধ্যমে এই চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছে। কোথাও কোথাও পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবতা হলো, নিকট ভবিষ্যতে ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ সরবরাহে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা পুরোপুরি কমছে না।
ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানের তথ্যমতে, একটি এআই চ্যাটবটকে প্রশ্ন করার জন্য যে শক্তি লাগে, তা কয়েক মিনিটের জন্য একটি বাতি জ্বালানোর সমান। গুগলও তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সেবার ক্ষেত্রে প্রায় একই ধরনের হিসাব দিয়েছে। উড়োজাহাজ ভ্রমণ বা গাড়ি চালানোর তুলনায় এই ব্যয় খুবই কম। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকলে ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিটি ডিজিটাল সেবার অংশ হয়ে উঠলে সামগ্রিক প্রভাব উপেক্ষা করা যাবে না।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

অনেক সময় জিমেইল ব্যবহারকারীদের ইনবক্সে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচারণামূলক মেইল বা অবাঞ্ছিত অনেক মেইল এসে জমা হয়। বেশি বেশি স্প্যাম মেইল ইনবক্সে জমা হলে দরকারের সময় গুরুত্বপূর্ণ মেইল খুঁজে পান না অনেকেই। শুধু তা–ই নয়, স্প্যাম ই-মেইলের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সাইবার হামলার আশঙ্কা থাকে। তবে চাইলেই অন্যদের পাঠানো স্প্যাম বা অবাঞ্ছিত ই-মেইলের বিরুদ্ধে গুগলের কাছে অভিযোগ করে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। জিমেইলে স্প্যাম ই-মেইলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পাশাপাশি দ্রুত সেগুলো মুছে ফেলার পদ্ধতি জেনে নেওয়া যাক।
কম্পিউটার থেকে জিমেইল ব্যবহার করে স্প্যাম ই-মেইলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার জন্য প্রথমে ইনবক্সে প্রবেশ করতে হবে। এরপর এক বা একাধিক সন্দেহজনক ইমেইল নির্বাচন করে ওপরের মেনুতে থাকা অ্যালার্ট আইকনে ক্লিক করে ‘রিপোর্ট স্প্যাম’ অপশনে ক্লিক করলেই সেগুলো স্প্যাম ফোল্ডারে চলে যাবে।
স্প্যাম ফোল্ডারে জমে থাকা ইমেইল একসঙ্গে মুছে ফেলতে চাইলে প্রথমে জিমেইল খুলে বাঁ পাশের মেনুতে থাকা ‘মোর’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর ‘স্প্যাম’ ফোল্ডারে প্রবেশ করে ওপরের অংশে থাকা ‘ডিলিট অল স্প্যাম মেসেজ নাউ’ অপশনে ক্লিক করলেই ফোল্ডারের সব ইমেইল স্থায়ীভাবে মুছে যাবে। চাইলে নির্দিষ্ট কিছু ইমেইল আলাদাভাবে নির্বাচন করে সেগুলো স্থায়ীভাবে মুছে ফেলা সম্ভব।
কখনো কখনো গুরুত্বপূর্ণ কোনো ইমেইল ভুলবশত স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সেটি সহজেই আবার ইনবক্সে ফিরিয়ে আনা যায়। এর জন্য জিমেইল খুলে বাঁ পাশের মেনু থেকে ‘মোর’ অপশনে ক্লিক করে ‘স্প্যাম’ ফোল্ডারে যেতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট ইমেইলের পাশের ঘরে টিক চিহ্ন দিয়ে ওপরের মেনু থেকে ‘নট স্প্যাম’ অপশনে ক্লিক করলে ইমেইলটি স্বাভাবিকভাবে ইনবক্সে ফিরে আসবে।
বাংলাদেশ ও বিশ্বের সকল খবর, ব্রেকিং নিউজ, লাইভ নিউজ, রাজনীতি, বাণিজ্য, খেলা, বিনোদনসহ সকল সর্বশেষ সংবাদ সবার আগে পড়তে ক্লিক করুন নিউজসেলবিডি ডট কম।
স্বত্ব © ২০২৫-২০২৬ নিউজ সেল
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।